মগজাস্ত্রের বিকল্প পেল বাঙালি

634
ricky
-রিকি ঘোষ

শবর দাশগুপ্ত, গোয়েন্দা লালবাজার। পরিচালক অরিন্দম শীলের দৌলতে এই শব্দ গুলো এখন বাংলা সিনেমায় বেশ পরিচিতি লাভ করেছে। ফেলুদা বা ব্যোমকেশের মতো পুরনো না হলেও জনপ্রিয়। গভীরে না পৌঁছাতে পারলেও বাঙালির মনে জায়গা করে সক্ষম হয়েছে গোয়েন্দা চরিত্র শবর।

লালবাজারের এই সহকারী পুলিশ কমিশনার প্রথমবারের জন্য পর্দায় এসেছিল ২০১৫ সালে। মাল্টিপ্লেক্স বা প্রেক্ষাগৃহে দর্শক সমাগম করতে একেবারে আদর্শ চরিত্র হচ্ছে অরিন্দম শীলের শবর দাশগুপ্ত। প্রেম, পরকিয়া, যৌনতা, খুন এবং খুনি নিয়ে কাজ করেন লালবাজারের এই গোয়েন্দা। ফেলু মিত্তিরের মতো মগজাস্ত্র না থাকলেও এনার রয়েছে মানষ চক্ষু। ‘ঈগলের চোখে’ সেটার প্রমান পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা কাহিণী নির্ভর ছবিতে দর্শক সাধারণত প্রাইভেট গোয়েন্দাদের রহস্য ভেদ করতেই দেখেছে। কিন্তু শবর সরকারি চাকুরে। তিনি পুলিশের সদর দফতরের গোয়েন্দা হিসেবেই কর্মরত। অনেকটা জেমস বন্ডের মতো।

চারটি মেয়ে এবং একজন পুরুষ চরিত্র নিয়ে মূলত ঈগলের চোখ ছবির গল্প। মুখ্য চরিত্রে রয়েছে বিষাণ। তাঁর ১৫ থেকে ৩৫ বছরের জীবনের মধ্যে প্রতিটি পোস্ট খুঁজে বের করে রহস্য ভেদ করে ঈগল। সম্পরকের নানা রঙ দেখা গিয়েছে ছবির কাহিনীতে। জন্মদাতা বাবাকে তাঁর মেয়ের যৌন ক্ষুধার শিকার হতে দেখিয়েছেন পরিচালক। অন্যদিকে বিষাণ ভাবছে তাঁর স্ত্রীর গর্ভে রয়েছে তাঁর সন্তান। এই ভাবনা স্বাভাবিক হলেও বিষাণের ঘরে আসবে অন্য কারোর রক্ত। সরকারি জগবন্ধু স্কুলের ছাত্র সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়েই এই সমস্ত রহস্যের কিনারা করবে লালবাজারের দুদে গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত।