সৃজিতের সঙ্গেই সকলের শুভ শারদীয়া

823

২০১০ সালের পুজোতে ‘অটোগ্রাফ’ নিয়ে নিজেকে নিজের মতো করে যাত্রা শুরু করেছিলেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জী। এরপর ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘মিশর রহস্য’, ‘চতুষ্কোণ’ এবং গতবছরের ‘রাজকাহিনী’ সবেতেই বিশেষ সফলতা অর্জন করেছেন এই পরিচালক। বক্স অফিস সাফল্যের খুঁটিনাটি বেশ ভালোই বোঝেন সৃজিতবাবু। তবে সৃজিতের সিনেমার সাফল্যের মাঝেও তাঁকে এবং তাঁর ছবি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে মজেছে জেন ওয়াই। সেখানেই কান পাতলো ক্যাম্পাস।

বনি: এই জানিস সৃজিতের নতুন সিনেমায় দেব নাকি বোবা!
রিকি: ভালোই হয়েছে। মালটা তো বাংলা ভালো বলতে পারে না। তাই ওকে বোবা করে দিয়েছে।
প্রিয়া: ওই জুলফিকারের কথা বলছিস?
রিকি: হ্যাঁ রে। এবারের পুজোয় সৃজিতের নতুন বই।
বনি: বই!!!
প্রিয়া: গারল, ওটা ছবি। সেটা না বলতে পারিস অন্তত সিনেমা বল। বই বলিস না, প্লিজ।
রিকি: ওই হলো। ভালোই হবে মনে হচ্ছে। আর সৃজিত মানে আঁতলামো আর এন্টারটেইনমেন্টের মিক্সড প্যাক।
প্রিয়া: সৃজিত মুখার্জী নিজেকে যতটা আঁতেল দেখাতে চায় ততটাও কিন্তু ও নয়।
বনি: সেই যাই হোক। প্রত্যেক বছর পুজোতে একটা নতুন সিনেমা নিয়ে আসে। গল্প, গান, ডায়লগ সব মিলিয়ে ভালোই দেয়। পাবলিকেও ভালো খায়।
রিকি: ২০১২ পুজোতে কিছু করেনি। ওই বছরের মাঝামাঝি হেমলক ছিল।
প্রিয়া: জুলফিকার কিন্তু প্রেডিক্টেবল। যে দু’টো স্টোরি অ্যাডপ্ট করেছে সেগুলো সবাই জানে।
রিকি: ওগুলোর ইন্ডিয়ানাইজ্‌ হয়েছে। ট্রেলার দেখিসনি?
বনি: ট্রেলার দেখে কী বুঝলি?
রিকি: গুলি করে সিজারকে মারছে। মেইন গল্পে তো ছুড়ি ছিল।
বনি: ওটা ইন্ডিয়ানাইজ্‌ না, মর্ডানাইজ্‌। এখন কেও ছুড়ি দিয়ে খুন করে না। গুলি করেই করে।
প্রিয়া: কতো জানিস রে তোরা। আমি তো এত গুরুত্বই দিইনি।
রিকি: ইন্ডিয়ানাইজ্‌ও আছে। ‘ঈদ সে বাচকার জুলফিকার’ ডায়লগটা শুনেছিস? শেক্সপিয়ারের গল্পে ওটা ছিল, ‘Be Aware Of March Ceaser’।
বনি: তা ঠিক। এটাই সৃজিত মুখার্জী।
প্রিয়া: সৃজিতের ছবিতেও ভুল থাকে। জাতিস্মরে একটা বড় ভুল ছিল।
বনি: কী রে?
প্রিয়া: কুশল হাজরার ঘরের ক্যালেন্ডারটা দেখেছিলি?
রিকি: কী ভুল ছিল?
প্রিয়া: ওখানে ২০১৩-র অক্টোবর দেখাতে চেয়েছিল। কিন্তু, ঠিকঠাক পারেনি। অন্য মাসের ক্যালেন্ডার ছিল ওটা।
বনি: এটা তুই বুঝতে পেরেছিস!!
রিকি: পুরো কুকুরের চোখ তোর।
বনি: কুকুর না শকুন।