বিজ্ঞানের বিবর্তনের মাঝেও বিরাজমান ভূত

673

ভূত বলে কিছু হয় না। ছোটবেলায় এই কথাটা ঘরে ও বাইরের সব জায়গাতেই বড়দের মুখে বহুবার শুনেছে সকলে। তবুও মন থেকে দূর হয়নি ভূতের ভয়। অনেকবার মনকে এই নিয়ে সান্ত্বনা দিলেও কোথাও একটা শঙ্কা রয়ে গিয়েছে ‘তেনা’দের নিয়ে। একইসঙ্গে রয়েছে সেই জগত নিয়ে কৌতূহল। সেই কারণে ২০১৬ সালেও ভূত এবং ভূতেদের পরিবেশ নিয়ে জমিয়ে চর্চা করে যেন ওয়াই। সেই চর্চাতেই আড়ি পাতল ক্যাম্পাস।

রনি: কালী পুজোয় তো কলেজ বন্ধ। আগের দিন কোথাও যাবি?
সুমি: ওই দিন তো হ্যালোইন ডে!
টুবাই: এই হল আধুনিক মেয়ে। সব কিছুতেই বিদেশীদের ফলো করে।
সুমি: আছা বাবা। সেদিন ভূত চতুর্দশী। আমি সব মানি।
রনি: তুই ভূতের ভয় পাস?
টুবাই: সব মেয়েরাই পায়। সুমি আর নতুন কী!
সুমি: এমন বলছিস যেন তোরা কেও ভয় পাস না!
টুবাই: এখন ওসব ব্যবসা। দেখছিস না সব জায়গায় কতো ছাড় দিচ্ছে।
রনি: এই যে। সব কিছুতে কী তোকে বোঝাতে হয় যে তুই কমার্সের স্টুডেন্ট!
সুমি: যাই বলিস না কেন, অশরীর ব্যাপারটায় আমার বিশ্বাস আছে।
রনি: এগুলো ওই সিনেমা দেখার ফল।
টুবাই: বেশীর ভাগ সিনেমাতেই কিন্তু মেয়েরা ভূত হয়।
রনি: আমাদের সামনেও একটা ভূত আছে হয়তো! সরি, পেত্নী।
সুমি: তোরা যে যাই বলিস। আমি জানি তোরাও ভূতে বিশ্বাস করিস।
টুবাই: একটু একটু করি। তোর মতো রাস্তা-ঘাটে, বাসের মধ্যে ভূত খুঁজি না।
সুমি: তুই কী বেডরুমে খুঁজিস?
রনি: না না টুবাই বাথরুমে পেত্নী খোঁজে।
টুবাই: তোর মতো শ্মশাণে যাই না।