সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ায় অনীহা বাড়ছে যুব সমাজের

7356

সেনাবাহিনীর নিচুস্তরে যুবসমাজের ভিড় দেখা গেলেও, উচ্চপদস্থ আধিকারিকে সেই সংখ্যাটা অনেকটাই কম৷ অধিকাংশ পদ এখনও খালি৷ অন্যান্য রাজ্য থেকে যদিও বা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে বর্তমানের জেন-ওয়াই, সেখানে এই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা অনেকটাই পিছিয়ে৷ কিন্তু কেন? প্রাক্তন সেনা প্রধান শংকর রায়চৌধুরী এই বিষয়ে জানিয়েছেন, ‘‘এটা খুব সত্যি কথা৷ যত দিন যাচ্ছে সেনাবাহিনীতে যুব সমাজের যোগ দেওয়ার প্রবণতা কমছে৷ তাঁরা অনেকেই এখন সেনবাহিনীতে যোগ দেওয়ার থেকে তথ্য প্রযুক্তি শিল্প বা ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত চাকরিতে বেশি সাচ্ছন্দ বোধ করছে৷’’ এই বিষয়ে প্রাক্তন সেনা প্রধানের দাবি, ‘‘একজন আইটি এক্সিকিউটিভকে যে পরিমান বেতন দেওয়া দেওয়া হয়, সেই বেতন একজন সেনা আধিকারিক পায়না৷ আর তাই মুখ ফেরাচ্ছে তাঁরা৷’’
কিন্তু কথা হল, সেনাবাহিনীর আধিকারিক স্তরে বহু পদ এখনও খালি৷ আগামী দিনে একটি খারাপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অনেকেই৷ যদিও বাঙালীদের মধ্যে বরাবরের একটা প্রবণতা রয়েছে৷ তাঁরা সেনাবাহিনীতে আগেও না ৷ এখনও না৷ অধিকাংশ বাঙালীই অধ্যাপনা বা সাংবাদিকতার মতো তুলনামুলক কম ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় থাকতে ভালোবাসেন৷ এটা বরাবরের রীতি৷ এই রাজ্যের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকে উঠে আসা ভালো ছেলে-মেয়ে এখন বিদেশে চলে যাচ্ছে৷ তারা সেখানেই বসবাস করছে৷
দিন কয়েক আগে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারত৷ গুঁড়িয়ে দেয় একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি৷ এই নিয়েও কথা বলেন প্রাক্তন সেনা প্রধান৷ তাঁর দাবি, ‘‘এই ধরণের একটি পদক্ষেপ দরকার ছিল৷এর আগেও এই ধরণের অপারেশন চালিয়েছে ভারত৷ তবে তাতে এত বড় সাফল্য পায়নি৷’’ মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের পর পাকিস্তান বুঝতে পারবে ভারতে সহজে আর জঙ্গি কার্যকলাপ চালাতে পারবেনা৷