হঠাৎ ক্যাম্পাস?

800
rana-das
রানা দাস সম্পাদক-kolkata24x7

“আবার একটা ওয়েব ম্যাগাজিন কেন ভাই? মোদী টু আই লিগ কভার করেই তো ভালো চলছিল।”

হ্যাঁ, তা পাঠকদের ভালোবাসা পেয়ে শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে ভালোই চলছিল। কিন্তু পাঠকদের চাহিদা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। আগে লোকে রাজ্য রাজনীতির খবর না পেলে গালমন্দ করতেন, এখন সিরিয়ার খবর না পেলেও অভিমান করেন। আমাদের কাছে বহু প্রতিক্রিয়ায় দৈনিক ইনবক্সে জমা হয়। ওয়েবসাইট খুলে লোকে বাংলা সাহিত্য পড়বে না, এ ধারনাকে ভুল প্রমানিত করে রমরমিয়ে চলছে আমাদের “রবি e বার।” এবার পরিধিটা আর একটু বড় করতে চলেছি। তাই ক্যাম্পাস!

অনেকেই বলেন, ফেসবুক থেকে ব্লগের পাতায় আড্ডাটা একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে। আলাদা কোনও আইডেনটিটিই তৈরি হচ্ছে না। টিন এজারদের বয়সটা তো সাংঘাতিক। এ বয়স নিয়ে না ষোলদের দলে ঢোকা যায়, না ত্রিশের কোঠার আড্ডায় উঁকি মারা যায়। এই একাকীত্বটাকেই পূরণ করতে ক্যাম্পাস। যেখানে মনের কথা আমরা তুলে আনবো ছাপার অক্ষরে। মানব না কোনও গতে বাঁধা নিয়ম। মুখের কথা মুখের ভাষাতেই তুলে আনবো। বানান ভুল হলে হোক গে। দিনভর কাঁহাতক ব্রেকিং নিউজ পড়া যায়? খবরের বাইরেও তো কিছু খবর থাকে, যা গতানুগতিক মিডিয়া সার্ভ করতে পারে না। আমরা তুলে আনব সেই সব খবর।

সদ্য উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরিয়েছে। কলেজে ঢোকা মানেই বড় হয়ে যাওয়া। টিফিন বক্স ছেড়ে ক্যান্টিন অনার্স। ঝাড়ি মারা ছেড়ে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডে সাহস দেয় হলিউডি সিনেমা। মন খারাপের জানালা দিয়ে ঢুকে পড়ে মারণ নেশা। ডিপ্রেশনের বাংলা জানলেও বেরোনোর রাস্তায় ব্ল্যাক হোল। টিন এজারদের এরকম হাজারো বলতে না পারা কথার ঝাঁপি খুলে দেবে ক্যাম্পাস। ভাষা যোগাবে লাজুকদের, সাহস যোগাবে ব্যর্থ প্রেমিকদের।

কী থাকবে ক্যাম্পাসে? ক্যাম্পাসে থাকবে আড্ডা, ফিল্ম রিভিউ, ঝগড়া(ভালো লোকেরা বলেন বিতর্ক), টেকনোলজির খবর, কেরিয়ার, বয়ঃসন্ধির সমস্যা, হ্যাং আউট, বিউটি কনটেস্ট, মডেলিং, ফোটোগ্রাফি আর বন্ধুত্বের ডাক। সে ডাকে সাড়া দিলে তুমিও ক্যাম্পাসে চলে আসতে পারো। বড্ড হ্যাজালাম না? কী করবো, প্রথম ইস্যু তো, টেনশনে রয়েছি। প্লিজ সামলে নিও। আর একটা ছোট্ট কথা, শেষপাতে মিষ্টিমুখের মতো। ক্যাম্পাসে কিন্তু তৈরি করলাম তোমাদের ভরসায়। লেখা, আড্ডার ছবি, মডেলিংয়ের ইচ্ছা, খবরদারি-সব দায়িত্ব কিন্তু সব তোমাদের। আর হ্যাঁ। ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসে প্রকাশিত যে কোনও আর্টিকেল ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলো না। বাংলায় লিখছি জানলে বন্ধুরা হ্যাটা করবে- এরকমটা যদি শ্রীজাত বা উপল-অনিন্দ্যদা ভাবতেন, আজ বন্ধু তোমার ভাব-আড়ি হত কি? না ফোয়ারা নেমে আসত উত্তরের অলিগলিতে?